প্রেমিকার দিদির সাথে – পর্ব ১
গত ৬ বছর থেকে আমার ও জলি এর সম্পর্ক। আমাদের সম্পর্কে বেশ ভালো ভাবেই চলে আসছে। সেখান থেকে হঠাৎ সম্পর্ক তার দিদির দিকে কি ভাবে ঘুরল সে গল্পই আজ তোমাদের শোনাবো । গল্প নয় সত্য ঘটনা , তাই অন্য নাম ব্যাবহার করেই লিখবো ।.
আমার নাম মনীশ। বয়স ২৬ । আমার প্রেমিকার নাম জলি । বয়স ২৪ ।
আমাদের দেখা সাক্ষাৎ যদিও খুব একটা বেশি হয়না , কোনো উৎসবের দিনে আমরা একসাথে ঘুরতে বেরোলে তবেই, সেটা বছরে ১০-১২ দিনের বেশি না । তবে আমাদের সম্পর্ক বেশ গভীর । দুজনের দুজনের ওপর খুব টান । আমরা সিনেমা হলে কিস করেছি অনেকবার। কিস করার সাথে সাথে স্তনে হাত দিয়েছি , এমনকি সিনেমা হলের অন্ধকারে জলির জামার বোতাম খুলে bra নামিয়ে তার স্তনের বোঁটা চুষছি ।
কিন্তু ও আসলে খুবই ভীতু তাই বিয়ের আগে সহবাসে সে রাজি হয়না। তাকে অনেকবার বুঝিয়েছি যে কনডম ব্যবহার করলে কোনো অসুবিধে হবে না , কিন্তু সে ভয় পাওয়ায় আমি তাকে বেশি জোর করতে পারি না ।
এদিকে আমার বয়সের সাথে সাথে Sex এর চাহিদাও বাড়ছে ।
এরকম চলতে চলতে একদিন আমরা দেখা করলাম । সাধারনত ঘুড়তে বেরোলে আমরা চার জন একসাথে বেরোই । চার জন বলতে , আমি ,জলি , জলির দিদি ও তার বয়ফ্রেন্ড ।
সেবার জলি ও তার দিদি একটা একই ড্রেস আলাদা আলাদা রঙের পরে এসেছিল । জলি নীল ও তার দিদি লাল । দুজনকেই অসাধারণ লাগছিল । জানি না কেনো সেদিনের পর থেকে আমার তার দিদির দিকে নজর যায় । নজর যায় বলতে জানিনা কেনো হঠাৎ মনের মধ্যে আসতে থাকে যে একে যে করেই হোক রাজি করিয়ে চুদতেই হবে ।
জলির দিদির নিয়ে তোমাদের বলি একটু। নাম পলি । বয়স ২৮ । দেখতে খুব কিউট আর তার সাথে যেটা আরও আছে সেটা হলো তার অসাধারন ফিগার। ৩৪-২৯-৩৬ । গায়ের রং সাধারণ , খুব ফর্সা বা কালো কোনোটাই না । কোমড় অব্দি চুল যা তার পরিণত শরীরকে পরিপূর্ণ করে তোলে। গলার আওয়াজ খুব মিষ্টি সাথে নাচেও খুব সুন্দর।
আবার গল্পে ফিরে আসি , কি করবো কি করবো করে মাথায় একটা বুদ্ধি আসে । আমি একটা fake ID diye প্রথমে তাকে টেক্সট করি , সে প্রথমে রিপ্লাই করে নি , কিন্তু আমার আরো বেশ কয়েকটি মেসেজ এর পর সে রিপ্লাই করে । আমি তাকে নিজের পরিচয় গোপন রেখে টেক্সট করতে থাকি । এবং আসতে আসতে ২ মাস পরে আমরা ভালো বন্ধু হয়ে উঠি। পলি তখনও জানে না আমার আসল পরিচয়। এরপর আমি তাকে জিজ্ঞেস করি তার বয়ফ্রেন্ড আছে ? আমাকে অবাক করে সে উত্তর দেয় , না। সুযোগ বুঝে আমিও মাঝে মাঝেই সেক্স এর কথা তুলতে থাকি , সেও আমার সাথে এসব কথা বলতে শুরু করে । একদিন আমি সোজাসুজি কথা সেক্স চ্যাট এর দিকে নিয়ে গেলাম , সেও সায় দিল , দুজন বেশ সেক্স চ্যাট করলাম । বেশ কিছুদিন পর আমি ওকে বললাম আজ আবার করলে হয়না ? পলি বলল না । আমি মেসেজ পরে হতাশ হলাম , কিন্তু পরের মেসেজ এ সে বলল আজ কল এ করবো । রাতে আমি তাকে কল করলাম । অল্প সাধারণ কিছু কথা বলার পরে সে বলে আজ ঘুম পাচ্ছে খুব , আমি তাকে ঘুমাতে বললাম।
কয়েকদিন তারপর সে মেসেজ করেনি । তারপর আবার একদিন রাতে মেসেজ করলো , কি করছো ? কল করতে পারো , আমি কল করলাম , শুরুতে কিছু সাধারণ কথা , তারপর ধীরে ধীরে সেক্স নিয়ে , তারপর অনেক রাত অব্দি কল এ সেক্স করলাম । দুজন ই খুব মজা পেয়েছিলাম । তারপর আমরা মাঝে মাঝেই এরকম কল এ করতাম। এই ভাবে মোট ৬ মাস পেরিয়ে গেছে । ঘটনা ঘটলো তারপরেই।
হটাৎ একদিন সে বলল দেখা করবে ? আমি বললাম , কেনো? সে বলল “অনেক হয়েছে কল মণীশ”। আমার নাম টা শুনে আমি চমকে উঠলাম। জলি আমার গলা চিনতে পেরেছে, ভয়ে কথা বেরোচ্ছিল না, কথাটা পলি জানতে পারলে আমাদের সম্পর্ক শেষ হয়ে যাবে ।
পলি ই পরের কথা বলল , “তুমি ভাবছ তোমার নাম জানলাম কি করে ! আমি প্রথম দিন ই কল এ তোমার গলার আওয়াজ চিনতে পারি ” । তাই সেদিন কল রেখে দিয়েছিলাম “। আমার অবস্থা এদিকে খারাপ , মাথায় অনেক চিন্তা ঘুরপাক দিচ্ছে । পলি বলতে থাকে “তারপর কদিন সেইজন্যে টেক্সট করিনি তোমাকে ,কিন্তু কদিন পর আর না করে পারলাম না , যে মজা টেক্সট এ পেয়েছি সেটা গলার আওয়াজ শুনে নিতে । আমি তোমাকে বুঝতে দি নি যে আমি জেনে গেছি । ভয় পাওয়ার কিছু নেই , আমি জলিকে কিছু বলবো না ” । শুনে আমার একটু স্বস্তি হলো । হাপ ছেড়ে বাঁচলাম , বললাম “ওকে কিছু বলনা প্লিজ “। পলি বলল ” না বলবো না , তবে এক শর্তে ” । বললাম কি শর্ত ? পলি বললো ” যে সুখ তুমি আমাকে এতদিন দিয়েছো , প্রথমে টেক্সট এ তারপর কল এ , এবার আমার সত্যি করে চায়” । আমি এতদিন তো এটাই চাইছিলাম কিন্তু বুঝতে দিলে চলবে না , তাই বললাম – ” কিন্তু তোমার তো বয়ফ্রেন্ড আছে , আর তাছাড়া আমিও তো জলি কে ভালোবাসি ” ।
– হ্যাঁ তো কি হলো ওটা থাকবে যেমন চলছে চলবে , এটা আমরা করবো গোপনে । ওরা কেউ জানবে না ।
– কিন্তু
– কিন্তু কিছু নেই , আমি জানি জলি তোমাকে বলেছে বিয়ের পর করবে সেক্স ।আর আমার বয়ফ্রেন্ড ও আমাকে কখনো এই নিয়ে বলেনি । আমার তোমার দুজনের ই বয়স হয়েছে ,শারীরিক চাহিদা মেটানোর জন্য এই একটাই পথ।
আমি আর না করলাম না , রাজি হয়ে গেলাম ।
ঠিক হলো পরের মাসে যখন তারা মামারবাড়ী যাবে তখন পলি কোনো বাহানা দিয়ে যাবে না , ঘরে থেকে যাবে ।
যেমন ভাবা তেমন কাজ , যাওয়ার আগের দিন পলি তার বাবা মা কে বলল তার কিছু কাজ আছে , সে কাজ শেষ করে দুদিন পরে যাবে । জলি ও তাদের মা বাবা মামারবাড়ী চলে গেলো সকালে ।
আমি দুপুরে খেয়ে বন্ধুর বাড়ি যাচ্ছি বলে বেরিয়ে পড়লাম , বাড়িতে বললাম আজ রাতে বন্ধুদের সাথে পিকনিক হবে তাই আজ রাতে ফিরবো না । তারপর আমি গেলাম বাজার । বাজারে গিয়ে সুন্দর একটা একদম পাতলা কাপড়ের নাইটি কিনলাম । একটা ম্যাচিং করে bra পেন্টি সেট কিনলাম । একটা গোলাপ ফুল ও কিনলাম । রাতে খাওয়ায় মাংস আর একটা মদের বোতল ও নিলাম ।
সব কিনে পৌঁছে গেলাম ওদের বাড়ি , বিকাল নাগাদ ।
পৌঁছে বেল বাজালাম । পলি দরজা খুললো । তাকে দেখে আমি আর চোখ সরাতে পারছিলাম না ।কি সুন্দর সেজেছে পলি । সে পরে আছে একটা লাল টুকটুকে শাড়ি। লাল ফুল হাতা ব্লাউজ । শাড়ী এর আঁচল টা বেশ পাতলা করে পড়েছে , তার নাভী দেখা যাচ্ছে , আমি নাভিতে বেশ কিছুক্ষন আটকে থাকার পর বললাম দারুন লাগছে দিদি । পলি মুচকি হেসে বললো আজও কি দিদি বলবে! আমি আবার হেসে বললাম ভালো লাগছে পলি।
পলি দরজা লাগিয়ে আমাকে ভেতরে বসতে বলে অন্য ঘরে গেল । একটু পরে চা বিস্কুট r নিমকি নিয়ে এলো । খেতে খেতে আমরা সাধারণ কিছু কথাবার্তা বললাম ।
তারপর আমি চা খাওয়া শেষ করে হাত ধুতে গেলাম আর পলি গেলো রান্নাঘরে ডিশ কাপ গুলো রাখতে। এদিকে আমি ভাবছিলাম শুরু কি করে করা যায় । আমি ওকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরলাম।
পলির গা থেকে এক অপূর্ব সুন্দর গন্ধ আসছে । জড়িয়ে ধরে আস্তে আস্তে তার পেটে হাত বোলাতে লাগলাম। চর্বি যুক্ত পেট এ আমার হাতের ছোঁয়া পেয়ে তার শরীরে কাঁটা দিয়ে উঠলো ।নাভির কাছে আসতে করে চিমটি কাটলাম , পলি আহ্হঃ করলো । আমি বা হাত টা তার স্তনের ওপর রাখলাম , পলি একবার কোনরকমে বললো কি করছো ! আমি উত্তর না দিয়ে আস্তে আস্তে স্তনে চাপ দিতে থাকলাম । তারপর মুখ টা নামিয়ে তার ঘাড়ে কিস করলাম ।
পলি তার দু হাত দিয়ে আমার দু হাতে চাপ দিল , বুঝতে পারলাম ও আরো জোড়ে টিপতে বলছে , আমি আরেকটু জোরে স্তনে চাপ দিলাম । তারপর হাত টা ঢুকিয়ে দিলাম তার ব্লাউজ এর ভেতরে। তার টাইট ব্লাউসের ভিতরে আমার হাত চেপে ধরে তার ঘাড়ে একটা জোরে কিস করলাম ।
– আহ্হ্হ উফফ
আমি আমার ডান হাত টা পেট থেকে শাড়ির ভেতরে ঢুকিয়ে দিলাম। পলির সায়া টা খুব টাইট ছিল তাই আমি আবার আমার হাত ত বার করে ওর শাড়ি টা আস্তে আস্তে খুলে দিলাম । তারপর সায়া এর ওপর থেকেই পলির নিচে হাত দিলাম । পলির শরীর টা কেপে উঠলো।একটা বড় শ্বাস ফেলে ধির গলায় পলি বলল –
– এরকম কখনো হয়নি
আমি বাচ্চা দের মত আদুরে গলায় বললাম
– দুদু খাব
– খাও না
আমি সামনে এসে একটু নিচু হয়ে পলিকে জড়িয়ে ধরে তুলে একটা উচু জায়গায় বসিয়ে দিলাম । ধীরে ধীরে ওর ব্লাউজ টা খুলে দিলাম ।লাল একটা প্যাডেড bra পরে আছে পলি । আমি আমার মুখ টা পলির মুখের কাছে নিয়ে গেলাম , ঠোঁটে ঠোঁট ছোঁয়ালাম , তারপর আস্তে করে একটা কিস , তারপর দুজন গভীর ও দীর্ঘ চুম্বন এ লিপ্ত হলাম । কিছুক্ষণ এই ভাবে কিস করার পর আমি একটু নিচু হয়ে পলির স্তনের যে অংশ bra তে ঢাকা নেই , সেখানে একটা কিস করলাম । তারপর আস্তে আস্তে bra এর স্ট্র্যাপ গুলো কাঁধের দুদিকে নামিয়ে দিলাম , তারপর হুক খুলে , bra টা পুরো খুলে দিলাম ।
আমার সামনে পলির উন্মুক্ত স্তন দুটো , আমার সময় যেনো আটকে আছে সেখানেই । বেশ বড় , গোল গোল স্তন গুলো , কিন্তু বড় হলেও ঝোলা নয় ।বোঁটা এর চারপাশের গাঢ় জায়গাটা বেশ অনেকটা বড় ।আমি পলির ডান দিকের স্তনে মুখ দিলাম , চুষতে শুরু করলাম , পলি ও চোখ বন্ধ করে মজা মজা নিতে লাগলো । আমি এরপর বা দিকের স্তন টা টিপতে শুরু করলাম , একটা টিপছি অন্যটা চুষছি , আবার একটু পরে বা দিকের টা চুষছি ডান দিকের টা টিপছি ।
– আহহ খাও আমার দুধ গুলো খাও, আহহ উফফ
এরকম বেশ কিছুক্ষন চোষার পর আমি পলির সায়া এর গিট টা খুলে দিলাম , পলি কে , উচু জায়গাটা থেকে ধরে নামাতেই তার সায়া টা খুলে পড়ে গেলো । কি অপূর্ব ফিগার পলির , মোটা মোটা মাংসল জাং গুলো ওর সেক্সী চেহারা টা আরো সেক্সী করে তুলছে । পায়ের নিচে থেকে কিস করা শুরু করলাম , নিচ ঠেকে হাঁটু হয়ে জাং এ পৌছলাম । জাং এ জিভ ছোঁয়াতেই পলির শরীর কেপে উঠলো , গুলো জড়িয়ে ধরে বেশ কিছুক্ষন সুরসুরি দেওয়ার মত করে চাটলাম । পলির পা কাপতে লাগলো ।পলি বিছানায় চিৎ হয়ে শুয়ে , আমি ঝুঁকে পড়লাম পলির মুখের ওপর , ঠোটে ঠোট লাগিয়ে কিস করলাম । তারপর আস্তে আস্তে নামতে থাকলাম নিচের দিকে, প্রথমে চিবুক , তারপর গলা , তারপর স্তন , তারপর নাভি হয়ে যোনিতে গিয়ে পৌঁছলাম ।আমি পলির দু পা এর মাঝে মাথা ঢুকিয়ে তার যোনি চাটতে লাগলাম , ঠিক যেমন করে বিড়াল বাটি থেকে জল খায়। পলি আমার চুল টেনে ধরলো
আহহ আহহহ মণীশ আহহহহ উফফ বেবি
আমার মাথা টা চেপে ধরে আছে তার জাং দিয়ে । কিছুখন চাটার পর পলি বলল তোমার জামা খোলো , আমি আমার জামা গেঞ্জি খুললাম , পলি ততক্ষনে উঠে আমার প্যান্ট এর বেল্ট খুলে ফেললো , তারপর আমার জাঙ্গিয়া টাও বেশ আস্তে আস্তে করে নামিয়ে দিল।আমার বাড়াটা তখন নরম ও শক্ত এর মাঝের এক অবস্থায় । পলি আমার বাড়াতে হাত বোলাতে লাগলো । আমি শুয়ে পড়লাম , পলি আমার বাড়া নিয়ে খেলতে লাগল । তার খেলা দেখে আমার বেশ মজা লাগলো , হেসে বললাম
– কি করছো গো ?
– পলি লজ্জা লজ্জা মুখ করে বললো , কি সুন্দর এটা
– ভালো ? পছন্দ হয়েছে ?
– হ্যাঁ ,খুব
তারপর সে আমার বাড়া টা জিভ দিয়ে চেটে দিতে লাগলো , তারপর অল্প মুখে ভরে চুষতে থাকল ।কিছুক্ষন এর মধ্যেই আমার বাড়া শক্ত হয়ে উঠলো ।
এখানে বলে রাখি আমার বাড়া সাধারণ সাইজ এর ই, ১৫cm (5.9 inch) । পলির ছোঁয়ায় সেটা একদম শক্ত ও গরম হয়ে উঠল ।আমি উঠে বসলাম , আদর করে পলির মুখের ওপরে চুল গুলো সরিয়ে দিলাম । তারপর জড়িয়ে ধরে চিৎ করে শুইয়ে দিলাম ওকে ।তারপর কনডম এর প্যাকেট থেকে একটা বার করে বাড়ায় পরিয়ে নিলাম ।
আমি পলির দু পায়ের মাঝে বসে , আমার বাড়াটা ঘষতে লাগলাম । বাড়াটা সেট করলাম , পলি চেয়ে রইলো আমার দিকে আমার ঢোকানোর অপেক্ষায় , কিন্তু আমি তার চোখে চোখ রেখে রইলাম । পলি শেষে কাতর ভাবে বলে উঠলো ঢোকাও না। আমি তার মুখ দিয়েই শুনতে চাইছিলাম , এই কাতর আবেদন শুনে আমি আস্তে করে চাপ দিলাম । আমার বাড়াটা টাইট গুদেও ঢুকে গেলো অল্প ।
পলি ককিয়ে উঠলো – আহ্হ্হ আহ্হ্হ । বিছানার চাদর আকড়ে ধরে কোনো মতে চিৎকার টা দমিয়ে ফেললো ।আমি আরেকটু চাপ দিলাম ।
– আহহহহহহহ মা গো ওহহহহহহ বাবা ওহহহহ
আমি সাথে সাথে তার মুখ চেপে ধরলাম ।
– খুব লাগছে ?
– হ্যাঁ, এটা আমার প্রথমবার , আস্তে করো ।
– আচ্ছা ঠিক আছে
পলি চিৎ হয়ে শুয়ে আর আমি ওর ওপর শুয়ে ( মিশনারী স্টাইলে) , আস্তে আস্তে বাড়া ঢোকাচ্ছি বার করছি । পলি আমাকে জাপটে ধরে রইলো , আমি খুব আস্তে ঠাপ মারলেও তার গুদ্ টাইট হওয়ার জন্য সে বেশ ব্যাথা পাচ্ছিল, আমার গোটা পিঠে হাত বুলাতে বুলাতে কখনো কখনো অজান্তেই সে কিছু আঁচড় ও দিতে থাকলো ।
– আহহ আহহহ লাগছে , উফফফফ লাগছে আহহহহহ মাআআ ওহহহহ আহহহহ লাগছে বেবি ওহহহহ
পলি চোখ বন্ধ করে চোদোন খেতে লাগলো আর চোদোন এর মজা নিতে লাগলো । শুরুতে ব্যাথাতে ছটফট করলেও আস্তে আস্তে সে ধাতস্থ হলো ।ঠাপ দেওয়ার পাশাপাশি আমি তার ঘাড়ে , গলায় কিস করতে লাগলাম ।
– আহহহহহ বেবি উমমমমম উফফফফফ বেবি করো আহহহ
এরকম ভাবে কতক্ষন যে করেছি সেটা আমি বা পলি কেও ই জানি না । ৫ মিনিট ও হতে পারে আবার ৫০ মিনিট ও , দুজন দুজন এর নেশায় এতটা ডুবে ছিলাম যে সময় এর কোনো ধারণা ছিলনা ।
অনেক্ষন এরকম ভাবে করার পর আমার রস বেরোবে, আমি বললাম আমার রস বেরোবে , সে বলল আমি বার করে দি ? বললাম, দাও । আমি বাড়া টা বার করে কনডম টা খুলে দিলাম , পলি আমার বাড়া টা ছুঁয়ে চামড়াটা একটু ওপর নিচে করতেই একগাদা গরম রস গল গল করে বেরিয়ে এলো ।
কিন্তু আমার মনে এলো পলির এখনও রস বেরোয় নি , আমি নিচে চাটতে শুরু করলাম , সাথে আস্তে করে ঢুকিয়ে দিলাম একটা আঙ্গুল , ২ মিনিট করতেই পলির ও রস বেরিয়ে এলো ।
তারপর দুজন দুজন কে জড়িয়ে ধরে শুয়ে রইলাম । পলি বলল
-এত এরকম অনুভূতি কখনো হয়নি , এত সুখ কখনো পাইনি।
– তাই ?
– হ্যাঁ
তারপর থেকে আমরা যদিও আর করার সুযোগ পাইনি কিন্তু এরপর পলিও একটা ফেইক আইডি তৈরি করেছে , আমরা ওখানে সেক্স চ্যাট করি , নুড দেওয়া নেওয়া করি ।
সুযোগের অপেক্ষায় আছি আবার কবে ঘর ফাঁকা পাবো আর আমরা আবার এক হবো ।
তারপর হঠাৎ করেই সুযোগ এসে গেলো । একটা বিয়েবাড়ির নেমন্তন্ন ওদের । আমি আর পলি সমস্ত প্ল্যান করে ফেললাম , রাত ৮-১১ টা অব্দি ঘর ফাঁকা পাওয়া যাবে।কাজ সারতে হবে এর মধ্যেই । নেমন্তন্ন এর দিন এসে পড়ল , যেমন প্ল্যান তেমন কাজ ।পলি বাহানা দিয়ে বললো শরীর ভালো নেই সে যাবে না । আমি সময় মত পাড়ার মোড়ে এসে দাড়িয়ে ছিলাম , জলি ও জলির মা বাবা বেরিতেই পলি কল করলো আমাকে
– হ্যালো ?
– হ্যাঁ পলি বলো , বেরোলো ওরা ?
– হ্যাঁ এই মাত্র বেরোলো
– আচ্ছা ঠিক আছে , আমি আসছি
– না শোনো, ওরা আরেকটু যাক তারপর তুমি এসো ৫-৭ মিনিট পরে
– আচ্ছা ঠিক আছে
আমি কিছুক্ষন দাড়ানোর পর দেখলাম জলিরা গেলো , আমিও আস্তে আস্তে ওদের বাড়ির দিকে হাটা দিলাম।
দরজার কাছে গিয়ে কলিং বেল বাজালাম , দাড়িয়ে আছি , পলির পাত্তা নেই । ফোনে কল করলাম , সেটাও ধরলো না । ৫-৬ মিনিট দাড়িয়ে কিছুটা বিরক্ত হয়ে দরজায় ধাক্কা দিলাম , দরজা ভেতর থেকে লাগানো ছিল না , ধাক্কায় খুলে গেলো দরজা । আমি কিছুটা দ্বিধা বোধ করছিলাম , কিন্তু ঢুকে পড়লাম ।ঢুকে দরজা লাগিয়ে , শোওয়ার ঘরে গেলাম , সেখানেও কেও নেই । পলি পলি বলে দুবার ডাকলাম , নিয়ে বিছানাতেই বসে পড়লাম । ২-৩ মিনিট বসে থেকে কি করা যায় ভাবছি , তখন পলি ঘরে ঢুকলো । ঘরে ঢুকে পলি দরজায় হেলান দিয়ে বেশ একটা সেক্সী পোজ করে দাঁড়ালো ।তার চুল অল্প ভিজে , পরনে আমার আগের বার তাকে উপহার দেওয়া পাতলা ফিনফিনে একটা কালো নাইট ড্রেস । ড্রেস টার কাঁধের দিক পাতলা ফিতের আর নিচটা মাত্র পাছা অব্দি ।পাতলা ফিনফিনে হওয়ায় ভেতরের কালো bra প্যান্টি দেখা যাচ্ছে ওপর থেকেই ।
যারা আগের গল্প পড়েন নি তাদের জন্য পলিকে নিয়ে একটু বলি । বয়স ২৮ ।উচ্চতা ৫ফুট ৩ ইঞ্চি। দেখতে খুব কিউট আর তার সাথে যেটা আরও আছে সেটা হলো তার অসাধারন ফিগার। ৩৪-২৯-৩৭ । গায়ের রং সাধারণ , খুব ফর্সা বা কালো কোনোটাই না । কোমড় অব্দি চুল যা তার পরিণত শরীরকে পরিপূর্ণ করে তোলে। গলার আওয়াজ খুব মিষ্টি সাথে নাচেও খুব সুন্দর।
পলির দিকে তাকিয়ে আছি অবাক হয়ে । আজ অব্দি সবসময় পলিকে ভদ্র সভ্য ড্রেসেই দেখে এসেছি , সে খোলামেলা ছোটো ড্রেস কখনো পরে না । সেখানে আজ এরকম পাছা অব্দি , ফিনফিনে একটা নাইট ড্রেসে ,তার দুধের খাঁজ , কোমরের ভাঁজ দেখে আমি আর চোখ সরাতে পারছি না ।আমার বাড়া শক্ত হতে শুরু করলো। তারপর আমাকে আরো অবাক করে পলি নাচতে শুরু করলো । বলিউড এর আইটেম ডান্স এর মত মুখে সেক্সী সব অঙ্গভঙ্গি করে , কোমড় পাছা দুলিয়ে সে নাচতে লাগলো । আগেই বলেই পলি নাচে খুব ভালো , তার নাচ দেখে আমি আর সামলাতে না পেরে আমার বাড়া প্যান্টে খোঁচা দিতে অরম্ভ করলো । নাচতে নাচতেই পলি অপরের নাইট ড্রেস টা খুলে ফেললো ।আমিও সেই দেখে আমার জামা টা খুলে দিলাম ।
কিছুক্ষণ নাচার পর পলি আমার পায়ের কাছে এসে বসলো । আমার চোখে চোখ রেখে আমার বেল্ট খুলতে লাগলো , বেল্ট খোলার পর প্যান্ট এর বোতাম খুলে , চেইন টা নামিয়ে দিল । তারপর আমি উঠে দাড়িয়ে আমার জিন্স আর জাঙ্গিয়া টা নামিয়ে আবার বসে পড়লাম খাটে। পলি নিজের মুখটা আমার বাড়ার কাছে আনলো ।নিজের নরম ঠোঁট দিয়ে একটা কিস করলো । আমি পলির মাথায় হাত বুলিয়ে বললাম
– মিস করছিলে আমাকে এতদিন ?
– না
– সে কি !! করোনি !
– না , তোমার এটাকে মিস করছিলাম ( এটা বলে পলি একটা মুচকি হাসি হেসে আমার আধ শক্ত বাড়াটা নাড়িয়ে দিল)
– তাই ?এত ভালো লাগে ?
– হুমমম , খুউউউব ।
আমার চোখে চোখ রেখে পলি জিভ দিয়ে আলতো করে চাটতে লাগলো আমার বাড়া । পলি আমার বাড়ার ওপরের চামড়াটা নামিয়ে জিভ দিয়ে চাটতে লাগলো । আমার বাড়াও আস্তে শক্ত হতে লাগলো ।
– উফফফ বেবি । উফফফ । চোষো বেবি চোষো
পলি আমার বাড়ার ওপরের অংশটা মুখে নিল , আস্তে আস্তে করে চুষতে লাগলো।আমি চোখ বন্ধ করে ফিল নিতে লাগলাম ।প্রথমে আস্তে আস্তে , তারপর চোষার তীব্রতা বাড়ালো পলি ।
– আহ্হ্হ পলি , গোটাটা মুখে নাও ,আহহহ
পলি আমার গোটা বাড়াটা মুখে নিয়ে চুষতে থাকলো ।আমি পলির খোলা চুল গুলো একসাথে করে মুঠো করে ধরলাম । কিছুক্ষণ চোষার পর আমি বললাম ওঠো , পলি উঠে বিছানায় এলো , আমি আস্তে করে তাকে শুইয়ে দিলাম । তার সারাগায়ে কিস করতে লাগলাম , তারপর তার bra টা খুলে তার স্তনের বোঁটা চুষতে লাগলাম । একটা চুষতে চুষতে অন্যটা টিপতে লাগলাম , তারপর তার নাভির কাছে মুখ নিয়ে গিয়ে জিভ ছোঁয়াতেই পলির শরীর টা কেপে উঠলো , কাঁটা দিয়ে উঠলো সারা গা । তারপর আমি তার নিচে হাত দিলাম প্যান্টি এর ওপর থেকে , ইতিমধ্যেই তার প্যান্টি অল্প ভিজে গেছে । ঘষতে থাকলাম তার ক্লিটোরিস , কিছুক্ষন ঘষার পর তার প্যান্টিটা খুলে দিলাম। জিভ ছোঁয়ালাম তার গুদে ।
সসসসসস আহহ আহহ
পলি আমার চুলটা টেনে ধরলো ।আমি গুদ চাটতে শুরু করলাম । পলি তার পা দুটো আমার কাঁধে চাপিয়ে দিল , জাং দিয়ে চেপে ধরলো আমার মাথা। এই চাপে আমার শ্বাস নিতেও অসুবিধা হচ্ছিলো , কিন্তু আমি তাও চাটা থাকলাম না ।পলি বিছানার চাদর আঁকড়ে ধরলো । জোরে জোরে শ্বাস ফেলতে থাকলো সে ,আস্তে আস্তে তার শরীর ধনুকের মতো বেকে গেলো , আরো জোরে সে জাং দিয়ে আমার মাথা টা চেপে ধরলো
– আহহ আহহ বেবি আহ্হ্হ আর পারছিনা বেবি আর পারছিনা , ঢোকাও বেবি এবার ঢোকাও
আমি উঠে বসলাম , কনডম টা জলদি করে বাড়াতে পরিয়ে , বাড়াটা গুদে ঘষতে লাগলাম । পলি ছটফট করতে থাকলো ।
– ঢোকাও বেবি ঢোকাও
আমি পলির কথায় পাত্তা দিলাম না । বাড়া না ঢুকিয়ে আরো ঘষতে লাগলাম ।
– ঢোকাও না বেবি ,প্লীজ ঢোকাও। আমি আর থাকতে পারছি না ওহহহহ
আমি পলির এই কাতর আবেদন শুনে আস্তে করে একটা চাপ দিলাম ।পলির রসালো গুদে আমার বাড়ার মুন্ডিটা ঢুকে গেলো
– ওমাআআআ ওহহ বেবি ওহহহহহ
আমি আবার চাপ দিলাম , অর্ধেক বাড়া ঢুকে গেলো । পলির গা গরম হয়ে গেছে, তার মুখ কান লাল ।এরপর একটা মোক্ষম ঠাপে আমার গোটা বাড়াটা ঢুকিয়ে দিলাম ।
– ওওও মাআআআ আহহহহ মা আহ্হ্হ মা গোওওওও
আমি আস্তে আস্তে বাড়া ঢোকাতে বার করতে লাগলাম । দুহাতে পলির কোমড় ধরে , বাড়াটা একটু বার করছি আবার ঢোকাচ্ছি ।তারপর পলির ওপরে ঝুঁকে পড়লাম ।পলি আমাকে জাপটে ধরলো । আমি কোমড় উঠিয়ে নামিয়ে আস্তে আস্তে ঠাপ দিতে লাগলাম ।
– আহহহ আহহহহ বেবি আহহহ মাগো মা আহ্হ্হ ওহহহ আহহহহ ওহহহহহহহ
পলি আমার পিঠে নখ দিয়ে একটা আঁচড় দিল ।একটা গরম কিছু অনুভব করলাম নিচে , উঠে বাড়াটা বার করে দেখি পলির অর্গাজম হয়েছে , রস বেরিয়ে এসেছে ।
– করো না বেবি প্লীজজজ
আমি আবার বাড়াটা ভেতরে ঢুকিয়ে দিয়ে , ঠাপ মারতে লাগলাম । এবারে যদিও আগের থেকে জোরে ঠাপ মারতে শুরু করলাম , পলির গুদ টা তার রসে ভিজে পিচ্ছিল হওয়ায় বেশ ভালো করে ঠাপ মারা হচ্ছিলো ।
– উফফফ বেবি , করো বেবি করো , এত ভালো আগে কখনো লাগেনি । করতে থাকো বেবি , থেমো না ।
আমি কোমড় উঠিয়ে নামিয়ে ঠাপ দিতে থাকলাম , পলি মজা পাচ্ছে দেখে জোর আস্তে আস্তে বাড়াতে লাগলাম । কিছুক্ষন এরকম করার পর আমারও অর্গাজম হওয়ার সময় এসে গেলো
– আহহ আহহহ বেবি লাগছে ,বেবি আস্তে,বেবি আস্তে করো বেবি, আহহহহহহহ আহহহ মাআআআআ
– আমার বেরোবে বেবি , আহ্হ্হ ওহহ ওহহহহ ওহহহহহহহ
আমারও রস বেরিয়ে এলো।বাড়াটাকে বার করে এনে কনডম টা খুলে পলির পাশে শুয়ে পড়লাম ।পলি আমাকে জড়িয়ে ধরলো ।কিছুক্ষন শুয়ে থাকার পর ,আমি উঠে জামাকাপড় পরে নিলাম , বললাম এবার তো আমাকে আস্তে হবে ওদের ফেরার টাইম হয়ে গেল। পলিও উঠে জামাকাপড় পরে নিল ।
চলবে......

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন