যাত্রায় অজানা অনুভূতি

 যাত্রায় অজানা অনুভূতি



যাত্রায় অজানা অনুভূতি


অর্ক ও তৃষা, দুজনেই জীবনের নানা দিকের থেকে হারিয়ে যাচ্ছিল। একদিন তারা দুজনেই আলাদা পথে চলতে চলতে এক জায়গায় এসে উপস্থিত হলো। অর্ক এক দিন বন্ধুর সাথে ভ্রমণে বের হয়েছিল। এবং তৃষা একাই ঘুরতে বেরিয়ে পড়েছিল। শহরের এই অচেনা জায়গায় এসে তারা একে অপরের সামনে এসে দাঁড়াল। একে অপরকে প্রথম দেখায় তাদের চোখের মাঝে অজানা কিছু ছিল, যেন পরিচিত কিছু পাওয়ার অভ্যেস।

অর্কের মনে অদ্ভুত কিছু ভাবনা ঘুরপাক খাচ্ছিল, তৃষার দিকে তাকিয়ে মনটা অস্বস্তিতে পূর্ণ হয়ে উঠেছিল। তৃষাও অর্কের দিকে তাকিয়ে বুঝতে পারছিল না, কেন এমন অনুভূতি হচ্ছিল। তার কাছে অর্ক ছিল এক অচেনা মানুষ, কিন্তু তারপরেও কেন যেন মনে হচ্ছিল, তারা বহু আগে একে অপরকে জানত।

একটা ছোট্ট রেস্টুরেন্টে ঢুকে তারা একে অপরকে জানতে শুরু করলো। ছোট ছোট কথায়, হাসির মাঝে, তাদের মধ্যে এক অদ্ভুত বন্ধুত্বের শুরু হলো। একে অপরের প্রতি আগ্রহ বাড়তে শুরু করল। পৃথিবীর এই অচেনা জায়গায় দুজনের পথ এক হয়ে গেল। কি ছিল সেই অনুভূতি? কি ছিল সেই অদ্ভুত তাগিদ? তারা বুঝতে পারছিল না।

যাত্রায় অজানা অনুভূতি

যত দিন যেতে থাকলো, ততই তাদের সম্পর্কের মধ্যে আরও গভীরতা আসছিল। তারা একে অপরের জীবনে এমনভাবে প্রবাহিত হয়েছিল, যেন অনেক বছর আগে থেকেই একে অপরকে জানত। অর্ক মনে করতো, তৃষার সঙ্গে তার পথচলা এক ধরনের যাত্রা, যেখানে কখনো কখনো অবসান ও শুদ্ধতা আসবে না। তৃষার কাছে অর্ক ছিল সেই অজানা অনুভূতি, যা তাকে কোনো দিন ভুলতে না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।

একদিন তারা হাতে হাত রেখে হাঁটছিল, এবং অর্ক বলল, "আমরা কি জানি কোথায় যাচ্ছি?" তৃষা হেসে উত্তর দিল, "জানতে চাইলে পথটাই অনেক সময় অজানা হয়ে যায়, তবে তুমি যদি আমাকে হাত ধরতে পারো, তাহলে সব পথই আমাদের পরিচিত হয়ে যাবে।"

তাদের যাত্রা চলতে থাকলো, অজানা অনুভূতি আর নতুন সম্পর্কের চিহ্ন নিয়ে, একসাথে।

মন্তব্যসমূহ